ক্রিপ্টোকারেন্সি মধ্যে বিটকয়েনের জনপ্রিয়তা

ক্রিপ্টোকারেন্সি

ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে বিটকয়েন কেন এত বেশি জনপ্রিয়

 
২০২২ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে বিটকয়েনই হতে যাচ্ছে সবার সেরা অনলাইন মানি এক্সচেজ্ঞ এর অপশান। পৃথিবীর কোন সরকারের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই কারেন্সির ব্যবহার যুগান্তর কারি একটি পদক্ষেপ েবলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
বিটকয়েন কেন

 

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম একটি আবিষ্কার বলা যেতে পারে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে। প্রযুক্তিবিদরা বলেছেন যে, এর আবিষ্কার কাগজের মুদ্রার উপর অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার লাভ করবে। 
 
সবার আগে আমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখা দরকার। তার মধ্যে অন্যতম প্রশ্নগুলোই এখানে দেওয়া হবে বলে আশি ব্যক্তিগতভাবে আশা ও বিশ্বাস করি। 
 

আরো পড়ুন >> বিটকয়েন কি ? কেন এটি এত জনপ্রিয় হচ্ছে ?

 

১. বিটকয়েন কি ? 

এটি একটি সহজ এবং সকলেই জানার প্রশ্ন। আসলে বিটকয়েন বা কয়েনবেজ বা BTC হলো এক ধরনের ভারচুয্যাল মুদ্রা। 
 
যেই মুদ্রা আপনি চাইলেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। এটার চাহিদা যত বেশি হবে দামটাও ততবেশি হবে বলেই এত জনপ্রিয় বর্তমান সময়ের সেরা কয়েন হলো এই বিটকয়েন। 
 

আরো পড়ুন >> আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেভাবে বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে

 
ভারচুয়্যাল মাধ্যম হওয়া এবং সর্বজন গ্রহন যোগ্যতার কারণেই মূলত এই বিটকয়েন এত বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। নব্বই এর দশকে যখন আমেরিকা সহ আরও বেশ কিছু দেশ মুদ্রার উপর নিশেধাজ্ঞা করলো। 
 
ঠিক সেই সময়টাতেই মূলত কিছু দেশ সর্বজনগ্রহন যোগ্য একটি মুদ্রার প্রচলনের কথা ভাবতেছিলেন। আর এর উপর ভিত্তি করেই মূলত আজকের বিকটয়েন এর আবিস্কার। 


ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে বিটকয়েন কেন এত বেশি জনপ্রিয়

সময়ের সাথে সাথে আসলে ট্রেন্ডগুলো পরিবর্তন হয়ে যায়। আসলে আমরা যখন যেটার বেশি আনাগোনা দেখি তখন সেটাতেই বেশি সময় ও সেটা নিয়েই বেশি মাতামাতি করে থাকি। 
 
 

২. মানুষ কেন এত বেশি আগ্রহী বিটকয়েন কেনার প্রতি 

মানুষ যে কোন লেনদেন এর জন্য সবচেয়ে বেশি যেই বিষয়টা চায় সেটা হলো নিরাপত্তা। আর বিটকয়েনকে বলা হয় পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ একটি লেনদেন করার মাধ্যম। 
 
এখানে বিটকয়েন এর দাম কেউ নিয়ন্ত্রন করতে না পারার কারণে অনেক সসময় চাহিদা কমে গেলে এর দাম নিয়ে সমস্যা দেখা যায়। আর যদি এর চাহিদা বেড়ে বা বাড়তেই থাকে তাহলে এর দামটাও বাড়তে থাকে। 
 
 

আরো পড়ুন >> এত ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে বিশ্ব কী করবে ?

 
 
ভবিষ্যত নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই মুলত মানুষ বেশি আগ্রহী এই মুদ্রার প্রতি। অনেক সময় এই মুদ্রা একজন ক্রেতাকে অনেক বেশি ধনী করে দিতে পারে আবার অনেক সময় অনেক গরিব বানিয়ে দিতে পারে। 
 
৩. টাকা আয় করার ক্ষেত্রে বিটকয়েন
 
বর্তমান সময়ে টাকা আয় করার জন্য আধুনিক পদ্ধতি হলো বিটকয়েন। এর মাধ্যমে একজন আরেক জনের সাথে টাকা লেনদেন সহ টাকা আয় করতে পারে। আর এজন্য মূলত সকলের কাছে বিটকয়েন এতো জনপ্রিয়। 
 
বিটকয়েনকে সেরা আরনিং অ্যাপস হিসেবে ধরা হয়। এখানে আপর কয়েণ যদি ৬০ হাজার হয় তাহলে খুব সহজেই ইউপড্রো করা যায়। এই ৬০ হাজার কয়েন আপনি চাইলে দুই দিনে করতে পারবেন। 
 


আরো পড়ুন >> ওয়েবসাইটে নিয়মিত পোস্ট করার ৫টি সুবিধা জেনে নিন

 
 
বর্তমানে অনেক মানুষ বিটকয়েন থেকে টাকা আয় করছে। আর আপনি চাইলে আপনিও করতে পারেন। 
 
বিটকয়েন মূলত জনপ্রিয় হয়েছে টাকা আয় করার মাধ্যমটা অনেক সহজ এবং খুব সহজেই টাকা ইউপড্রো করা যয় বলে। আমরা যদি একটু লক্ষ করি তাহলে দেখবো যে বিটকয়েন ব্যবহারের গ্রাহকের সংখ্যাও বেশি। 
 

৪. কেন বিট কয়েন থেকে টাকা আয় করাবেন

 
আমি আগেই বলেছি যে বিট কয়েন থেকে টাকা আয় করা অনেক সহজ এবং সুবিধার। 
 
অনেক গবেষণ বলেছেন যে বিটকয়েন থেকে টাকা আয় একটি আধুনিক আয়। ভবিষ্যৎ তে এই মাধ্যমে টাকা আয় করা যেতে পারে। 
 
আর এজন্য আপনি চাইলে বিটকয়েন থেকে টাকা আয় করতে পারেন। মূলত এখণ থেকেই যদি টাকা আয় করা শুরু করে দেন তাহলে পরবর্তীতে কোনো সমস্যা হবে। 
 

ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে বিটকয়েন কেন এত বেশি জনপ্রিয়

 
 
উপরের চারটি বিষয় থেকে আমাদরে সবারই ধারণা হওয়ার কথা এই বিষয়টি সম্পর্কে। আসলে আমরা বর্তমান সময়ে উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর এই প্রযুক্তির কল্যাণেই আমরা নতুন নতুন সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছি। 
 
বিটকয়েন আসলে তেমনই একটি প্রযুক্তির নাম এবং তেমনি একটি প্রযুক্তি। আসলে আমাদের বর্তমান সময় এবং আগামীর জন্য এমনই একটি মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন করার প্রয়োজন ছিল। 
 
 

আরো পড়ুন >> ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কেন ?

 
 
আঠারো শতকের পর থেকেই মানুষ ও বিভিন্ন দেশের সরকার অর্থনীতির উপর একটা আলাদা নজরদারী করার জন্যই এই ধরনের প্রযুক্তি আমাদের জন্য উপকারে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
 
কখনও কোন সরকার কাগজের মুদ্রা আবার কখনও ধাতুর মুদ্রার প্রচলন করা হয়। আর এই মুদ্রার প্রচলনগুলো আমাদের জন্য অনেকটাই আলাদা হিসেবে কাজ করে থাকে। 
 

বিটকয়েন একাউন্ট খোলার জন্য কি কি করতে হবে ? 

এই প্রশ্নের উত্তর এবং এর পরের প্রশ্নের উত্তর প্রায় একই ধরনের। বিটকয়েন এত নিরাপদ ট্রান্সজেকশান মাধ্যম বিধায় এর একাউন্ট খোলা নিয়ে অনেকেরই হয়তো নানা ধরনের মতামত রয়েছে। 
 

আরো পড়ুন >> আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেভাবে বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে

বিটকয়েন একাউন্ট খোলার নিয়ম কি ? 

 
পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম একটি মুদ্রার নাম হলো বিটকয়েন বা BTC যা ভারচুয়্যাল কারেন্সি হলেও সর্বজন গ্রহীত একটি মুদ্রা ব্যবস্থা। ১৯০০ শতকের শেষ দিকে যখন মুদ্রা ব্যবস্থাকে আধুনিক করা হচ্ছিল ঠিক তারপর পরই এই মুদ্রার প্রচলন করা হয়। 
 
২০০৭ সালে তৈরিকৃত এই বিটকয়েন অনেকটাই জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে। আর ২০১০ এর পর থেকে তো আর বিটকয়েনকে পেছনে ফিরে তাকানোর দরকার হয়নাই। 
 
২০১৩ সালের শেষের দিকে সমস্যা হলেও ২০১৭ সালের পর থেকে বিশেষ করে ২০১৮ সাল বিটকয়েনের উত্তরণের বছর। 
 
 
তারপর থেকে বর্তমানে বিটকয়েন এতটাই জনপ্রিয় যে, এর প্রচলন অনেক বড় বড় কম্পানি শুরু করেছে বর্তমানে। আর এই মুদ্রার মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু কেনা থেকে শুরু করে জমাতেও পারবেন। 
 

বিটকয়েন একাউন্ট খোলার জন্য নিচের পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে

প্রথমে আপনাকে কয়েনবেজ একাউন্ট করতে হবে। এবং সেখানে মেইল দিলেই হয়ে যাবে। তারপর আপনাকে একটা নাম্বার দেওয়ার দরকার হবে। টুস্টেপ ভেরিফিকেশান অটোই অন হয়ে যাবে তারপর। 
 

কতটা নিরাপদ বিটকয়েন লেনদেন ? 

প্রতিটি ট্রান্সজেকশানে আপনাকে একটা কোড পাঠানো হবে এবং আপনার বিটকয়েন একাউন্টটা লগইন করার জন্য আপনার মেইল একসিস এর ও দরকার হবে। 
 
হ্যাকাররা সাধারণত এই ধলনের একাউন্টগুলো হ্যাক করতে পারে না। কারণ মেইল ও একাউন্ট সাথে OTP পাঠানোর জন্য নাম্বার যার প্রতিটি ট্রান্সজেকশানের সময় কোড দিতে হয়। 
 
এই প্রসেসটার জন্য বলা হয়ে থাকে যে, বিটকয়েন অনেক বেশিই নিরাপদ। আর নিরাপদ বিধায় এই মুদ্রার প্রচলন দিনদিন বেড়েই চলেছে। 
 
আশা করবো বিটকয়েন সম্পর্কে অনেক তথ্য দিতে পেরেছি। এবং এই বিষয়টা নিয়ে আপনাদের মনে আর কোন সংশয় থাকবে না। ধন্যবাদ আপনাকে মূল্যবান সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *