ড্রপশিপিং বিজনেস কি ? আমাদের দেশে ড্রপশিপিং বিজনেস করার ৫টি পদ্ধতি

ড্রপশিপিং বিজনেস কি ? ড্রপশিপিং বিজনেস করার ৫টি পদ্ধতিে

নিজের কোন পণ্য না রেখে নিজের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে অন্যের পণ্য সরবরাহ করে বিজনেস করার পদ্ধতিকেই বলা হয় ড্রপশিপিং বিজনেস। 

বর্তমানে অনলাইনে আয় করার সময়টাতে ড্রপশিপিং বিজনেস অনেক জনপ্রিয় একটি বিজনেস।

ড্রপশিপিং বিজনেস কি ? আমাদের দেশে ড্রপশিপিং বিজনেস করার ৫টি পদ্ধতি

কেন করবেন ড্রপশিপিং বিজনেস ?

বর্তমানে অনলাইনকে ব্যবহার করে যে কোন বিজনেস করা লাভ জনক। কারণ এখানে কোন ফিজিক্যাল ঠিকানা লাগে না। 

আর সবচেয়ে খরচ কম। তাই আপনি একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে অনায়াসেই করতে পারেন ড্রপশিপিং বিজনেস। 

৫টি কারণ নিচে দেওয়া হলো। আসলে অনেকগুলো কারণ আছে তার মধ্যে ৫টি কারণ হলো।
১. অনলাইনে আয় করা যায় 
২. কম খরচে আয় করার মাধ্যম তৈরি করা যায়
৩. দীর্ঘমেয়াদী আয়ের ক্ষেত্র তৈরি করা যায় 
৪. জায়গা কম লাগে 
৫. লাভ অপেক্ষাকৃত বেশি হয় 

ড্রপশিপিং বিজনেস করার জন্য তো আপনার নিজের কোন কিছু করা লাগে না। যেমন, আপনাকে পণ্য তৈরি করতে হয় না। আপনি আরেকজনের পণ্য নিয়ে সেল করতে পারেন। 

এর ফলে আপনি অনেকগুলো পণ্য নিয়ে একসাথে কাজ করতে পারবেন। যেটা অন্য কোন বিজনেসে সম্ভব না। আসলে ড্রপশিপিং বিজনেসের আইডিয়াটা অনলাইন বেজ হওয়ার কারণে এখনও বেশি মানুষ আগ্রহী হয় নাই। 

সংক্ষেপে আমি কিছু বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করছি ড্রপশিপিং বিজনেস নিয়ে। এখানে আপনি বিষয়গুলো নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলেই বুঝতে পারবেন আশা করি। 

১. অনলাইনে আয় করা যায় 

অনলাইনে আয় করার জন্য অনেকগুলো পদ্ধতি বা বিজনেস মডেল আছে। তার মধ্যে থেকে বর্তমানে ড্রপশিপিং বিজনেস অন্যতম একটি বিজনেস মডেল। 

এর মাধ্যমে ভালো আয় করা যায়। অনলাইন হওয়ার কারণে এখানে একটু বেশি পরিশ্রম করলে অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। 

২. কম খরচে আয় করার মাধ্যম তৈরি করা যায়

অনলাইনে বিজনেস হওয়ার কারণে এখানে ফিজিক্যাল কোন সমস্যা হয় না। যেমন ধরুন আপনি যদি বাজারে কোন দোকান ভাড়া নিয়ে বিজনেস করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সিকিউরিটি দিতে হবে। 

এরকম আরও অনেক সময় আছে। বাজারের দোকানে যেই টাকা আপনি সিকিউরিটি দিবেন সেই টাকা দিয়ে আপনি এই বিজনেস করতে পারবেন অনেক সহজেই। 

৩. দীর্ঘমেয়াদী আয়ের ক্ষেত্র তৈরি করা যায় 

দেখা যাচ্ছে যে, এখন অনেকেই চায় আয়ের একটা নির্দিষ্ট মাধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্র তৈরি হোক। সেক্ষেত্রে আপনি দীর্ঘমেয়াদী আয়ের মাধ্যম হিসেবে এই বিজনেসটা করতে পারবেন। 

চাকরীর পাশাপাশি কিছুটা সময় দিয়ে যদি ভালো করা যায় সেটাও তো কম নয়। অনেকেই এসব চিন্তা করেই মূলত এসব বিজনেসের দিকে আগ্রহী হয়ে উঠে। আমাদের দেশে আস্তে আস্তে এর ক্ষেত্রটা অনেক বাড়তেছে।

৪. জায়গা কম লাগে 

অনলাইন হওয়ার কারণে ফিজিক্যাল জায়গাটা অনেক কম লাগে। আর অনলাইনে একটা ওয়েবসাইট রান করার জন্য যেই জায়গা যেটা ফিজিক্যাল একটা কমপিউটার বসানোর মত জায়গা হলেই হয়ে যায়। 

অনলাইনের যে কোন বিজনেসে জায়গা কম লাগে আর অফলাইনের যে কোন বিজনেসে জায়গা বেশি লাগে। আসলে ড্রপশিপেং এ ভালো করার ক্ষেত্রটা অনেক বড় অফলাইনের চাইতে। 

যে কোন ফিজিক্যাল বিজনেস করার জন্য অনেক বেশি জায়গার দরকার পড়ে। কিন্তু আপনি যখন এই বিজনেসটা অনলাইনের মাধ্যমে করবেন। তখন আপনার জায়গার পরিমানটা অনেকটাইকম লাগবে। 

আসলে বর্তমানে বিজনেস করার জন্য জায়গার ও টাকা দুটোই লাগে। সাথে তো মার্কেটিং এর বিষয়টা রয়েছেই। আর আপনি অনলাইনে এই ধরনের কোন বিজনেস যদি পান তাহলে অনেক দ্রুতই টাকা আয় করতে পারবেন। 

৫. লাভ অপেক্ষাকৃত বেশি হয় 

ফিজিক্যাল বিজনেসে আপনাকে একটা দোকান ভাড়া নিতে হবে এবং কিছু লোক রাখতে হবে দেখার জন্য। সব সময় সেটা খোলা রাখতে হবে কাস্টোমার আসার জন্য। 

অথচ অনলাইনের যে কোন বিজনেসে আপনাকে এতটা বেশি পরিশ্রম করতে হবে হবে না। ‍যদিও দায়বদ্ধতার জায়গাটা রাখতে হবে তারপরেও খরচ বেশি হয় অফলাইনের বিজনেসের ক্ষেত্রে। 

উপরের ৫টি বিষয় আমরা জেনে তারপর যদি ড্রপশিপিং বিজনেস করি তাহলে অবশ্যই আমরা ভালো প্রফিট করতে পারবো। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *