বাস টপোলজির ৫টি অসুবিধা জেনে নিন

বাস টপোলজির

বাস টপোলজির ৫টি অসুবিধা জেনে নিন

নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলো জানার পরে আমাদেরকে অবশ্যই টেনওয়ার্ক ব্যবহার করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হবে। 

মোট ৭টি টপোলজি থাকলেও সবার প্রথমেই আসে বাস টপোলজি। যদিও বাস টপোলজির অনেকগুলো সুবিধা হয়েছে তারপরেও এই টপোলজির কিছু অসুবিধাও রয়েছে। সেগুলো নিয়েই আজকের আর্টিকেল।

বাস টপোলজির ৫টি অসুবিধা জেনে নিন

 

বাস টপোলজি কাকে বলে ?

যেই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে সবগুলোই সংযুক্ত থাকে। অর্থ্যৎ যেই টপোলজিতে একটি মাত্র মূল তারের সাথে অন্যন্যা সবগুলো নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়ে থাকে তাকেই বাস টপোলজি বলে। 
 

এর আগে আমরা বাস টপোলজি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। সেখানে বাস টপোলজির সুবিধাগুলো বলা হয়েছি। 

তারপরেও জানার জন্য সংক্ষিপ্ত করে বলার চেষ্টা করছি এখানে। যেমন, 

১. বাস টপোলজিতে খরচ কম হয়। 

২. অনেক বেশি জায়গা জুড়ে নেটওয়ার্ক দেওয়া যায়।

৩. কোন একটা ডিভাইস বা যন্ত্র নষ্ট হলে পুরো সিস্টেম নষ্ট হয় না। 

৪. এখানে কোন হাবের প্রয়োজন পড়ে না। 

৫. এখানে কোন সার্ভারের দরকার হয় বিধায় অনেক কম খরচেই করা যায়। 

৬. অনেক কম সময়ে ভালো সার্ভিস পাওয়া যায়। 

৭. রিপিটার ব্যবহার কের সম্প্রসারণ করা যায়।

৮. ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক অনেক কম সময়ের মধ্যেই তৈরি করা যায়।

 

উপরের গুলো এই বাস টপোলজি ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়াও আরও বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে বাস টপোলজির। 

বাস টপোলজির অসুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো। বাস টপোলজি আসলে আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট পরিসরের অফিস বা আদালতে ব্যবহার করা হয়।তবে বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় অনেক বেশি পরিশানে দেখা যাচ্ছে। 

১. বড় মাপের নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায় না। 

২. ট্রাফিক বেশি হয় সাধারণত অন্য নেটওয়ার্ক থেকে। 

৩. নেটওয়ার্ক এ কোন সমস্যা দেখা দিলে সনাক্ত করা কঠিন। 

৪. ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি তুলনামূলক কম থাকে। 

৫. বাস টপোলজিতে প্রধান নেটওয়ার্ক সমস্যা হলে পুরো পদ্ধতিই বন্ধ হয়ে যায়।

নেটওয়ার্ক এর যেই ৭টি টপোলজি আছে তাদের মধ্যে অনেক কম সময়ে এবং অনেক কম খরচে এই নেটওয়ার্ক টপোলজি ব্যবহার করা যায়। 

 

নেটওয়ার্ক টপোলজি কেন ব্যবহার করা হয় ? 

নেটওয়ার্ক টপোলজি হলো এমন একটি সিস্টেম যার মাধ্যমে আমি নিজে তো ইন্টারনেটের মধ্যে আসবো আবার আমার কাজের ক্ষেত্রটাকেও নিতেপারবো। 

কোন স্থান হতে আরেক স্থানে ডাটা আদান-প্রদান করার জন্যই আমরা মূলত বাস টপোলজিসহ আরও নেটওয়ার্ক ডিসট্রিবিউশান টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এগুলো আসলে নেটওয়ার্ক তৈরি করে থাকে। 

প্রত্যেকটি টপোলজিতেই কিছূ সুবিধা এবং কিছু অসুবিধা আছে। এখন বিষয়টা হলো আমার নিজের কাছে। 

আমি কোনটাতে বেশি সুবিধা নিতে পারি আর কোনটাতে বেশি সুবিধা নিতে পারবো না সেটা আমাকেই বের করতে হবে। 

অনেক সময় সেজন্যই দেখা যায় যে, রাত ১০টা বেজে গেছে তখন নক করা হচ্ছে বিষয়টা জাানর জন্য। 

বাস টপোলজি কি আমাদের নেটওয়ার্ক এর জন্য ক্ষতিকর বেশি ?

আসলে বিষয়টা তেমন না। আমাদের জন্য এই টপোলজিটা অনেক বশি সুবিধার হলেও কিছু দিক আছে যেগুলো ক্ষতিকর না হলেও সমস্যার বলা যায়। তার মধ্যে অন্যতম কিছু বিষয় গুলো হলো। 

১. এখানে মেইন একটা সার্ভার পিসি থাকে যদি কোন কারণে সেটা সমস্যা হয় বা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সকল পিসির নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে যাবে। আসলে এই বিষয়টা অন্য নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রেও ঘটে তবে কম ঘটে। 

আর অন্য নেটওয়ার্ক এর সার্ভার পিসিগুলো সেভাবে প্রতিফলিত হয় না যতটা এই নেটওয়ার্ক এ হয়। আর এখানকার সার্ভার পিসি বানাতে অনেক বেশি খরচ করতে হয়। যা দিয়ে অনেকগুলো নরমাল পিসি বানানো যাবে। 

২. এখানে কোন প্রান্তিক পিসির নেটওয়ার্ক চলে গেছে সেটা বের করা অনেকটাই কঠিন কাজ হয়ে যায়। আমরা আমাদের এলাকা ডিশের লাইণ বা বাসা বাড়িতে ইন্টারনেট লাইন যেভাবে দিয়ে থাকি এই লাইন বা নেটওয়ার্কটাও আসলে সেই ধরনেরই হয়ে থাকে। 

এখানে মেইন তার থেকে বাস টপোলজি ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক কানেকশান করা হয়ে থাকে চারদিকে। আর বাস টপোলজি দেওয়ার কারণে অনেক বেশি নেটওয়ার্ক যুক্ত করা যায়। আবার স্তরে স্তরে নেটওয়ার্ক সুবিধামত বাড়ানোই যায়। 

সবাইকেই ধন্যবাদ বিশেষ করে আপনাকে আরও বেশি ধন্যবাদ যেহেতু আপনি কনটেন্টটির শেষ পর্যন্ত চলে আসছেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *