ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট Rank করার উপায়

ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস

বর্তমানে নতুন ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট দ্রুত Rank করার ৫টি উপায়

নিজের সাইটটাকে দ্রুত ভিজিটর বাড়াতে বা দ্রুত Rank করাতে কে না চায় আসলে Rank করার জন্য কিছু নিয়ম বা পদ্ধতি আছে যা আপনি মেনে চলতে পারলে দ্রুতই আপনার সাইট Rank করবে 

 

বর্তমানে নতুন ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট দ্রুত Rank করার ৫টি উপায়

 

ওয়েবসাইট Rank করানো বলতে কি বোঝায় ?

আপনার ওয়েব সাইটের কোন কীওয়ার্ড দিয়ে যদি আপনি সার্চ করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটা Rank করবে মানে গুগলের প্রথম দিকে আসবে। এমনটাই হলো ওয়েবসাইট Rank করানো 

 

>> Adsense এর জন্য সাইটে যে ৫টি blog পেইজ থাকা খুব জরুরী

 

ব্লগ বা ওয়েবসাইট Rank করানোর জন্য ৫টি পদ্ধতি হলো। যথাঃ-

. মাইক্রা নিশ নিয়ে লিখা

নিশ নিয়ে তো কাজ করাই যায় তবে মাইক্রো নিশ নিয়ে কাজ করার জন্য ভালো পরিকল্পনা করতে হয়। 

 

অনেকেই মনে করে থাকেন মাইক্রো নিশ নিয়ে লিখলে ভিজিটর আসে না। আসলে বিষয়টা এরকম নয়। 

 

মাইক্রো নিশ নিয়ে কাজ করলে নির্দিষ্ট সংখ্যাক ভিজিটর আসবে। আর এটাকে টার্গেট ভিজিটরও বলা হয়। 

 

মাইক্রো নিশের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো নির্দিষ্ট সংখ্যাক ভিজিটর আনা যায় এই নিশের মাধ্যমে। আমরা অনেক সময় বেশি ভিজিটর আনার জন্য বেশি পোস্ট করার চেষ্টা করি। আসলে বিষয়টা এমন না। 

 

ধরুন আপনি শিক্ষা নিশ নিয়ে কাজ করলেন। আবার শিক্ষা নিশের মধ্যে যদি আপনি শুধু মাত্র চাকরি নিয়ে কাজ করেন। তাহলে দেখে থাকলে যারা চাকরি প্রত্যাশী তারাই আপনার সাইটে আসবে। 

 

একটা নির্দিষ্ট সংখ্যাক ভিজিটর আপনি খুব দ্রুতই পাবেন। আর এই ভাবেই অনেকেই মনে করে থাকেন যে, মাইক্রো নিশের ভিজিটরগুলো টার্গেটেড ভিজিটর। 

 

. নিশ রিলেটেড কিছু ব্যাক লিংক করা

ধরুন আপনি শিক্ষা বা অনলাইনে আয় নিশ নিয়ে কাজ করলেন। তাহলে আপনাকে সেই নিয়েই বা সেই ধরনেরই ব্যাক লিংক নিতে হবে। 

 

নিশ নিয়ে ব্যাক লিংক নিলে সেটা অনেক বেশি কার্যকর হয়। আসলে আপনি একটা ট্রপিকের উপর যখন ব্যাক লিংক নিবেন সেই ধরনেরই কনটেন্ট দিতে হবে আপনাকে আপনার সাইটে। 

 

তাছাড়া অন্য ধরনের কনটেন্ট পাবলিশ করলে আপনার সাইটের জন্য সেটা ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

 

. নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা

নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করলে ওয়েবসাইটটাকে গুগল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিন্তা করে থাকে। 

 

আর একটা বিষয় হলো যে, কনটেন্ট হলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব সাইটের জন্য। 

 

নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ না করলে ওয়েবসাইটের ভিজিটর যেমন কমতে থাকে তেমনি কমতে থাকে তার Rank. 

 

নিয়মিত পাবলিশ করা বলতে বোঝানো হয়েছে আপনি হয়তো সপ্তাহে ২টা করে কনটেন্ট দিবেন অথবা আপনি সপ্তাহে ৩টা করে দিবেন এমন। 

 

. লো কমপিটিশান কীওয়ার্ড ব্যবহার করা 

কীওয়ার্ড রিসার্চ করে লিখা অনেক জরুরী। কারণ কীওয়ার্ড রিসার্চ না করে লিখলে অনেক সময় আছে সাইটের লিখাগুলো বেশি Rank করে না। 

 

একটা সাইটের বা একটা কনটেন্ট এর মধ্যে কীওয়ার্ড ব্যবহার করলে তা দ্রুতই ‍গুগল Rank করে থাকে। 

 

আপনি যখন কীওয়ার্ড রিসার্চ করে লো কমপিটিশান বেছে নিয়ে কাজ করবেন তখন অটোমেটিকভাবে সেটা সার্চ এর উপরে চলে আসবে। 

 

গুগল কীওয়ার্ড প্লানার থেকে আপনি এই ধরনের সেবা নিতে পারবেন। আসলে আমরা তো রিসার্চ করি কম যার কারণে আমাদের ওয়েবসাইট অনেক সময় ্যাংক করাতে অনেকটা বেগ পেতে হয়। 

 

. কনটেন্টগুলো বড় করে লিখা

আমি সাধারণত বলে থাকি যে, মিনিমাম হাজার শব্দের একটা কনটেন্ট পাবলিশ করতে। 

 

নতুন সাইট হলে সেটার সংখ্যা যত বেশি হবে ততই সুবিধা। আর যত কম হবে তত সমস্যা। কারণ কম শব্দের কনটেন্ট অনেক সময় ইনডেক্স হতে চায় না। আর গুগলের কাছেও সেটা ভালো দেখায় না। 

 

আমরা আমাদের ওয়েবসাইটকে দ্রুত সার্চবারের উপরে নিয়ে আসতে চাইলে অবশ্যই কনটেন্ট অনেক বড় লিখার চেষ্টা করতে হবে। 

 

ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস কমপক্ষে হাজার শব্দের ৫টা এবং হাজার শব্দের ৫০ টা কনটেন্ট দেওয়া হলে অবশ্যই দ্রুত সার্চ Rank করবে এবং উপরে আসবে। 

 

উপরের ৫টি ‍নিয়ম মেনে চললেই মূলত ব্লগ বা ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দ্রুত Rank করবে বলে ধারণা করা হয় 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *