মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং কি ? এর ৫টি সুবিধা জানুন

মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং

মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং কি ? এর ৫টি অসুবিধা জানুন

বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইনে আয় করার পরিমাণ অনেক বেড়েছে। অনলাইনের কাজের জন্য কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোনও ব্যপক ব্যবহৃত হচ্ছে। 
 

 

মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং কি ? এর ৫টি অসুবিধা জানুন

 

মোবাইল ফ্রিল্যান্সি কি ?

মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করার অনেক মাধ্যম রয়েছে বর্তমান সময়ে। মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন থেকে টাকা বা অর্থ উপার্জন করার পদ্ধতিকেই বলা হয় মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং। 
 
আসলেই কি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা সম্ভব ? হ্যাঁ অবশ্যই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা সম্ভব। 
 
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে আয় করতে চান তাহলে অনেক ভালো কিছু করতে হবে। 
 
তাহলে যদি ভালো কিছু শুরু করার কথা আসে তাহলে সবার প্রথমে মনে আসে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং অথবা অনলাইন মারর্কেটপ্লেসের বিভিন্ন ক্যাটাগরির কথা। এ কাজ গুলো খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন। 
 
তাই আজকের প্রদিবেদন মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং এর ৫টি সুুবিধা নিয়ে। এই সুবিধা নিয়েই আলোচনা করার চেষ্ট করব। 
 

১. মুক্তভাবে কাজ করতে পারবেন

অনলাইনে মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং এর অনেগুলো সুবিধার মধ্যে এটি একটি। মোবাইল দিয়ে আপনি মুক্তভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে। 
 
আপনি যদি কোনো জাইগায় বেড়াতে বা বাড়ির বাইরে থাকেন তাহলে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং খুব সহজেই করতে পারবেন। 
 
আর এই সুবিধা টায় মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইস করে দিয়েছে। 
 

২. পর্যাপ্ত রেস্ট নিতে পারবেন

যদি আপনি কাজ করতে করতে হাপিয়ে যান আপনি চাইলেও রেস্ট নিয়ে কাজটি শুরু করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার কাজের কোনো ক্ষতি হবে না। 
 
যদি আপনি সময় এর ভেতরে সব কাজ করে ফেলেন তাহলে কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভনা থাকে না। 
 
কাজের ভেরতে আপনার ঘুম পেলেও আপনি ঘুমিয়ে নিতে পারবেন। তবে শর্ত হলো যে আপনাকে সময়ের কাজ সময়ে করতে হবে। এই সুবিধাটা আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক উপকারী। 
 

৩. নিজের বস আপনি নিজেই

সাধারণত আপনার অফিস সংক্রান্ত কোনো কাজ করতে হলে অফিসের বস এর নিয়ম অনুযায়ী করতে হয়। 
 
যদি আপনি আপনার বসকে গিয়ে বলেন যে এই কাজটা এভাবে না করে এভাবে করলে ভালো হবে। 
 
আপনার অফিসের বস এটি মানবে যে এটার কোনো গ্যারিন্টি নেই। 
 
কিন্তু আপনি যদি মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে সেখানে আপনার নিজের বস আপনি নিজেই। 
 
আপনি যেভাবে চান সেভাবে কাজ করতে পারবেন। আপনার কাজে কেউ বাধা দিতে পারবে না।
 

৪. পরিবারকে সময় দেওয়া যায়

সাধারণত যারা অফিস বা অন্য কোথায় চাকরি করে তাদের বেশির ভাগ সময়ই কাজের জন্য বাইরে থাকতে হয়। এজন্য তাদের পরিবারকে তার সময় দিতে পারেনা। 
 
কিন্তু আপনি যদি অনলাইনে মোবাইল ফ্রিল্যান্সি করেন তাহলে আপনি পরিবারকে সময় দিতে পারবেন। কারণ অনলাইনের কাজ গুলো বাড়িতে বাসেই করতে হয়। 
 
কাজকে সময় দেওয়া যতটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবারকেও সময় দেওয়া ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। অফিসে যারা কা করে তারা এ সুবিধাটা পায় না। 
 

৫. বেশি আয় করা যায়

সাধারণত আমাদের দেশে যে চাকরী গুলো আছে সেগুলোর বেতন খুব একটা বেশি যে হয় তেমনটা নয়। 
 
একটা নির্দিষ্ট এমাউন্ট আপনাকে দেওয়া হয় এবং এটি এক বছর বা তার বেশি সময় পর পর বাড়ানো হয়। 
 
কিন্তু আপনি যদি মোবাইল বা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং অথবা অন্য কোনো অনলাইন মারর্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকে তাহলে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। 
 
এখানে বেতন বাড়ানো নিয়ে সমস্যাই পড়তে হয় না। আপনি যত বেশি কাজ করবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন। 
 
শেষ কথা
 
মোবাইল ফ্রিল্যান্সি এর মাধ্যমে আপনি এই সমস্ত সুবিধা গুলো পেয়ে থাকবেন। যা অন্য কোনো কাজের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। 
 
কেবল মাত্র অনলাইন মারর্কেটপ্লেসে এই সুবিধাগুলো পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি অনলাইনে মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে আপনি অনেক উপকৃত হবে।
 
আশা করি প্রতিবেদনটি আপনার কাজে লাগবে অথাব উপকারে আসবে। যদি প্রতিবেদনটি কোনো উপকারে আসে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ
এখন কিছু প্রশ্ন আমাদের মনে আসতে পারে সেগুলোর উত্তর ও প্রশ্নগুলো আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

১. ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কি কি ? 

উত্তরঃ- অনেক সুবিধা যা বলতে হলে আরো একটি পোস্ট করতে হবে। তবে মুক্ত পেশা হিসেবে এর গুরুত্ব অনেক। স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়। এবং নিজের প্রয়োজনমতো আয় করা যায়।

2 Comments on “মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং কি ? এর ৫টি সুবিধা জানুন”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *